ডিভিসিত জলস্তর, জলছাড়ার তথ্য এবার মিলবে স্যাটেলাইট মারফত
দি নিউজ লায়নঃ এবার স্যাটেলাইটের মাধ্যমেই জলস্তর, জল ছাড়া সহ ডিভিসির যাবতীয় তথ্য আপডেট হবে। অর্থ্যাৎ আগামী দিনে রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের ক্ষেত্রে নতুন দিক উন্মোচিত হল। মাইথন, পাঞ্চেত, কোনার এবং তিলাইয়া ডিভিসিত চারটি জলাধারকে ইন্টিগ্রেটেড রিভার ওয়াটার সিস্টেম স্যাটেলাইট ব্যবস্থায় আনা হল। পাশাপাশি দামোদর এবং বরাকর নদীকেও এই স্যাটেলাইট মানচিত্রে নিয়ে আসা হয়েছে। শুক্রবার এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সুচনা করেন ডিভিসির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অশোক কুমার ভার্মা।উপস্থিত ছিলেন, ডিভিসির চিফ ইঞ্জিনিয়ার সত্যব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, মাইথনের প্রজেক্ট হেড সুবোধ কুমার দত্ত সহ রাজ্য সেচ দপ্তরের আধিকারিক, কেন্দ্রীয় জল সম্পদ বিভাগের আধিকারিক সহ আরও অনেকে।
ডিভিসির চিফ ইঞ্জিনিয়ার সত্যব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ডিভিসি-র চার জলাধারের জলস্তরের ঘণ্টাভিত্তিক হিসাব বা জল ছাড়ার তথ্য - এ বার সবই জানা যাবে ডিজিটাল তথ্যের মাধ্যমে। শুধু তাই নয় বরাকর, দামোদর নদীরও জলস্তরের হিসেব জানাবে স্যাটেলাইট।এ জন্য বরাকর, দামোদর এবং ডিভিসি-র মাইথন-পাঞ্চেত-তিলাইয়া-কোনার বাঁধে ও দামোদর, বরাকর নদীতে ৮৩টি সেন্সর বসানো হয়েছে। খরচ হয়েছে ৪৫ কোটি টাকা। সেন্সর থেকে তথ্য আপডেট হবে স্যাটেলাইটে। তারপর সেই তথ্য ডিভিসির কন্ট্রোল রুম ও পাশাপাশি রাজ্য সেচ দপ্তর, কেন্দ্রীয় ওয়াটার কমিশনে যাবে একই সাথে। যাবে অনান্য সরকারি দপ্তরেও
সত্যব্রত বাবুর দাবি, এর আগেও তথ্য সঠিক সময়ে জানানো হত। এবার স্যাটেলাইটের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমে তথ্য আপলোড হবে।
কলকাতায় সেচ দপ্তরের ভবনে বসেই রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা ঘণ্টায় ঘণ্টায় পাবেন সমস্ত আপডেট। দিল্লিতে কেন্দ্রের সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের সদর দপ্তর এবং ডিভিসি-র মাইথন দপ্তরেও সব তথ্য দেখা যাবে ডিজিটাল সিস্টেমে। ডিভিসি-র জল ছাড়া সংক্রান্ত সব তথ্য সময়মতো পাওয়া যায় না বলে রাজ্যের তরফে যে অভিযোগ ওঠে, এবার সেই সমস্যারও সমাধান হবে বলে আশা করছেন ডিভিসি কর্তারা।

Post a Comment